Change Language
refreshLoading video...
00:0000:00

কেন আপনার সংসারে বরকত নেই? উত্তর লুকিয়ে আছে এক ক্রীতদাসের জাদুকরী গল্পে!

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬

একটি বিশাল জাহাজ ডোবাতে বড় কোনো গর্ত লাগে না… কয়েকটি ছোট ছিদ্রই যথেষ্ট—যা ধীরে ধীরে পুরো জাহাজটিকে পানিতে ডুবিয়ে দেয়। ঠিক তেমনি আমাদের জীবনও ধ্বংস হয়ে যায় একেবারে ছোট, অদৃশ্য একটি অভ্যাসে। আমরা সাধারণত বড় সমস্যাগুলো নিয়ে চিন্তা করি—রাগ, হতাশা, ব্যর্থতা। কিন্তু এই নীরব অভ্যাসটি যাকে আমরা গুরুত্বই দিই না, অথচ সেটাই আমাদের সুখ, সম্পর্ক, মানসিক শান্তি এবং সফলতাকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেয়। অভ্যাসটি হলো—সহজে বিরক্ত হয়ে যাওয়া। ঘরে, বাইরে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে অর্থাৎ মনমতো না হলেই আমরা বিরক্ত হয়ে যাই। কখনো তা চেপে রাখি, কখনো প্রকাশ করি—কিন্তু দুটোই আমাদের জন্যে ক্ষতিকর। গবেষণা বলছে, চাপা বিরক্তি শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে—রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়, মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং সাইকোসোম্যাটিক রোগ সৃষ্টি করে। একবার একজন ক্রীতদাস নিজের তিনটি রুটি নিজে না খেয়ে একটি ক্ষুধার্ত কুকুরকে খাইয়ে দিল। এই ছোট কাজই তার জীবন পুরো বদলে দেয়! যদি সে বিরক্ত হয়ে কুকুরটাকে তাড়িয়ে দিত? তাহলে কি সে মুক্ত হতো বা পুরস্কার পেত? এই ঘটনাই প্রমাণ করে— আসলে সুযোগ অনেক সময় বিরক্তির ছদ্মবেশে আমাদের দরজায় আসে। পবিত্র কোরআনেই আছে, কৃতজ্ঞতা (শোকর) মানুষের জীবনে বরকত আনে,আর বিরক্তি ও অকৃতজ্ঞতা মানুষকে সেই নেয়ামত থেকে বঞ্চিত করে। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতি কোথায় হয় জানেন? পরিবারে। ছোট একটি কথা, পাল্টাপাল্টি জবাব ব্যস! তাতেই বিরক্তি থেকে তৈরি হয় দূরত্ব, ভুল বোঝাবুঝি, অশান্তি। ধীরে ধীরে—যে পরিবার হওয়ার কথা ছিল শান্তির জায়গা, সেটাই হয়ে যায় বোঝা বয়ে বেড়াবার জায়গা।